Tuesday, October 4, 2022

চুড়ামনকাটিতে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ঘুমের ওষুধ ও নেশা জাতীয় বিভিন্ন ওষুধ বিত্রিু হচ্ছে হরহামেশাই

চুড়ামনকাটি(যশোর)প্রতিনিধি॥ যশোর সদরের চুড়ামনকাটি বাজারে রেজিষ্টার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ঘুমের ওষুধ ও নেশা জাতীয় বিভিন্ন ওষুধ বিত্রিুর অভিযোগ পাওয়া গেছে বাজারের ফার্মেসী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। অতিরিক্ত লাভের আশায় ওষুধ ব্যবসায়ীরা এহেন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। এ বিষয়ে চুড়ামনকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দাউদ হোসেন পরিষদের পক্ষ থেকে এসকল ওষুধ বিক্রি না করার জন্য জরুরী নোটিশ দিলেও ব্যবসায়ীরা কর্নপাত করছেনা। ফলে উঠতি বয়সের যুবকরা ঘুমসহ বিভিন্ন নেশা জাতীয় ওষুধ খেয়ে নেশায় আসক্তি হয়ে পড়েছে।

- Advertisement -

জানা গেছে,চুড়ামনকাটি বাজারের ওষুধ ফার্মেসীসহ পল্লী চিকিৎসকের ঘর রয়েছে ৪৫/৫০টি।বর্তমানে বাজারের ফার্মেসী ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসরা রেজিষ্টার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ঘুমের ওষুধ ও নেশা জাতীয় বিভিন্ন ওষুধ বিত্রিুর রমরমা বানিজ্য শুরু করেছে।বর্তমানে বাজারের প্রতিটি ওষুধের দোকানে দেদারসে বিত্রিু হচ্ছে ঘুমসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধি নেশা জাতীয় ওষুধ।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে,বাজারে ওষুধের দোকানে সবচেয়ে বেশি চাহিদা সিনামিন সিরাপ,ঘুমের বড়ি ও বিভিন্ন ব্যাথা নাশক বড়ি। যা বিত্রিু করতে গেলে রেজিষ্টার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অব্যশক।কিন্তু অতিরিক্ত লাভের আশায় এ বাজারের ব্যবসায়ীরা রেজিষ্টার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই হরহমেষেই সকলের নিকট বিত্রিু করছে ব্যবসায়ীরা। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে,ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসাবে উঠতি বয়সের যুবকরা ফেন্সডিল সেবকরা সিনামিন সিরাপের সাথে ঘুমের বড়ি ও ব্যাথা নাশক বড়ি গুলিয়ে সেবন করছে।এগুলে মিশিয়ে এক সাথে সেবন করলে ফেন্সিডিলের মত নেশা হয়।চিকিৎসদের ভাষ্যমতে এই তিন প্রকারের ওষুধ এক সাথে সেবন করা শরীরের জন্য মারাতœক ঝুঁকিপূর্ন।যেকোন সময় মৃত্যুসহ বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক একজন সেবক বলেন,ফেন্সিডিলের দাম বৃদ্ধি পাওয়াই এবং অল্প দামে এই নেশা হওয়াই অধিকাংশ খোররা এই পথ বেছে নিচ্ছে। তিনি আরো জানান,এ সুযোগে এ সকল ওষুধ ব্যবসায়ীরা চড়া মূল্যে বিত্রিু করে থাকে তাদের নিকট।
সরেজমিন বাজারের বিভিন্ন ফার্মেসী গুলোতে গিয়ে দেখা গেছে রেজিষ্টার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই এ সকল ওষুধ বিত্রিু করছে ব্যবসায়ীরা।কোনো নিয়মনীতি মানছেনা এখনকার ব্যবসায়ীরা।
এদিকে,বাজারে এধরণের ওষুধ বিত্রিু বৃদ্ধি পাওয়াই স্থানীয় চেয়ারম্যান দাউদ হোসেন পরিষদের পক্ষ থেকে এসকল ওষুধ বিক্রি না করার জন্য জরুরী নোটিশ দেন ব্যবসায়ীদের মাঝে। নোটিশ দেওয়ার পরও ব্যবসায়ীরা ওষুধ বিত্রুয় অব্যাহত রেখেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান দাউদ হোসেন জানান, িইতিমধ্যে প্রশাসন এধরণের নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির দায়ে একজনকে আটক করলেও বন্ধ হয়নি বেচাকেনা । তিনি বলেন বেচাকেনা বেড়ে যাওয়াই আমি পরিষদের পক্ষ থেকে এসকল ওষুধ বিক্রি না করার জন্য জরুরী নোটিশ দিই। তিনি এসকল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

- Advertisement -

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ