Wednesday, August 17, 2022

ভোগান্তি ভেবে কাটেনি টিকিট ফলে বাড়ি যাবে না অনেক বাইকার

কয়েকবছর ধরে ঈদের দুয়েকদিন আগে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকা থেকে বগুড়ায় যান রাইড শেয়ারিংয়ের চালক হাসিবুর রহমান। কিন্তু এবার যেতে পারছেন না। কেননা, সরকার এবারের ঈদে সাত দিন মহাসড়কে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

শুধু হাসিবুরই নন, তার মতো অনেকে এবারের ঈদে মোটরসাইকেলে বাড়ি যেতে পারছেন না। বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ডজনখানেক বাইকারের সঙ্গে কথা বলে এমনটি জেনেছে।

হাসিবুর ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঈদে বাড়ি যেতে ভোগান্তি নিয়ে অগ্রিম টিকিট কাটতে হয়। তবুও লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকে টিকিট পান না। ভরসা ছিল মোটরসাইকেল নিয়েই প্রতিবারের মতো বাড়ি যাব। কিন্তু এবার বাইক চলাচল বাতিল হয়েছে। আর লাইনে দাঁড়িয়েও ট্রেনের টিকিট পাইনি, যানজট হয় তাই বাসের টিকিটও কাটিনি। ফলে এবার আর ঈদ করতে বাড়িতে যাওয়া হচ্ছে না।

রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় এনামুল হক নামে এক রাইডারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, প্রতিবার ঈদের দুয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়ি বগুড়ায় যাই। বছরের অন্য সময় ঢাকায় রাইড শেয়ারিং ও চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন করি, এটিই আমার পেশা। দুই ঈদসহ বছরে তিন-চারবার বাড়ি যাই। এবার নিষেধাজ্ঞার কারণে ঈদে বাড়ি যাওয়া হবে না। কারণ ঈদের সময় অগ্রিম টিকিট কেটে বাসে বা ট্রেনে বাড়ি যেতে হয় সবাইকে। ট্রেনের অগ্রিম টিকিট পাইনি, বাসেরও টিকিট করিনি। এসব কারণে আমার মতো অধিকাংশ বাইকারের ঈদে বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না।

একটি বেসরকারি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের চাকরিজীবী কামরুজ্জামান তমাল। তার গ্রামের বাড়ি নাটোর। তিনিও এবার ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন না। আলাপকালে কামরুজ্জামান তমাল বলেন, ঈদ এলেই সবার এক ধরনের ভোগান্তি হয় ট্রেন ও বাসের অগ্রিম টিকিট কাটা নিয়ে। অনেকে টিকিট পান, আবার অনেকে পান না। সড়ক পথে তীব্র যানজট, ট্রেনের সফিউল বিপর্যয়ের নানান ঘটনা ঘটে। সব দিক বিবেচনা করে এবারের ঈদে স্ত্রীকে সঙ্গে করে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল বেছে নিয়েছি গত কয়েক বছর ধরে। এ বছর ঈদে সাত দিন এক জেলার মোটরসাইকেল অন্য জেলায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ঈদ করতে বাড়িতে যেতে পারছি না। বাস-ট্রেনের অগ্রিম টিকিটও কাটিনি।

এএন-২

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ